‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসময়ে রাজনীতিতে এসে সফল হয়েছিলেন পরিস্থিতি এখনও তেমনই’, সরাসরি তোপ দিলীপের

শ্রাবণী পাল: সামনেই ভবানীপুরে হাইভোল্টেজ ফাইট। মুখ্যমন্ত্রী লড়বেন সেই কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে। এর থেকে বড় ফোকাস কি আর হতে পারে? ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিধিভঙ্গের নোটিস তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। এরই সঙ্গে ত্রিপুরার দিকেও চোখ রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। একাধিক ইস্যু নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বঙ্গভূমি লাইভের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ

প্রিয়াঙ্কা কতটা সফল হতে পারেন?– নির্বাচনের পরে যে অন্যায়, হিংসা, সন্ত্রাস হয়েছে তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই হয়েছে। উনি না জিতেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সেই সমস্ত অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্যে প্রিয়াঙ্কা আছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসময়ে রাজনীতিতে এসে সফল হয়েছিলেন পরিস্থিতি এখনও তেমনই। একজন শিক্ষিতা, আইনজীবী, কম বয়সি নেত্রী।

আইনজীবী হয়েও করোনাবিধি ভাঙলেন কীভাবে? ‘ওঁরাও তো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। দুয়ারে সরকার হচ্ছে, জমায়েত হচ্ছে। আমরা কোনও লোক বাইরে থেকে নিয়ে যাইনি। শুধু নেতারাই ছিলেন। কমিশনের নোটিসের জবাব প্রিয়াঙ্কা দেবেন।

ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রভাব কতটা পড়তে পারে?– সিপিএম যাত্রাভঙ্গ করতে গিয়ে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিল। সেভাবে এঁরা ওখানে প্রভাব ফেলতে চাইছেন। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করছে, কারণ সেখানে এঁদের কোনও নেতা নেই সমর্থক নেই। সেখানের সরকার পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেবে।

তৃণমূলকে দমন করতে ইডি, সিবিআইকে ব্যবহার করছে বিজেপি?– যতগুলো কেস চলছে, যেগুলোয় সিবিআই বা ইডি তদন্ত করছে কোনওটাই আমরা করিনি। এসব তদন্ত কংগ্রেসের আমলে শুরু হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস করতেন। পরে তিনি বেরিয়ে আসেন। সিবিআই স্বতন্ত্র সংগঠন, নিজেদের কাজ করছে। বিজেপিকে এখানে টানার কোনও মানেই হয় না। তাঁদের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে, দোষীরা শাস্তি পাবে।