Welcome to Dilip Ghosh Official

দুর্নীতির বিরুদ্ধে দিলীপ দা

Play Video
দুর্নীতিগ্রস্ত অন্তঃসারশূন্য তৃণমূল সরকার আমফান প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিপূরণও যোগ্য প্রাপকের হাতে তুলে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

7044070440 [email protected]

covid-19-4926456_640

কোরোনা ভাইরাসের আতঙ্ক নয় এটির সম্বন্ধে বিস্তারিত জানুন

সুস্থ থাকতে এবং দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সকলের সহযোগীতা একান্ত প্রয়োজন ..
সরকারী নিয়মাবলী অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। আমরা সব সময় আপনার পাশে আছি

covid-19-4926456_640

কোরোনা ভাইরাসের আতঙ্ক নয় এটির সম্বন্ধে বিস্তারিত জানুন

সুস্থ থাকতে এবং দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সকলের সহযোগীতা একান্ত প্রয়োজন ..

সরকারী নিয়মাবলী অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। আমরা সব সময় আপনার পাশে আছি

দিলীপ দার বার্তা

প্রথমেই সকলকে জানাই বাংলা নববর্ষের (১৪২৭) প্রীতি, শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন। আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এ আমার ঐকান্তিক কামনা। বারো মাসে তেরো পার্বণের জন্য বিখ্যাত বাঙালীর অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হল পয়লা বৈশাখ, কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আমরা এ বছর পয়লা বৈশাখ উজ্জ্বাপণ করতে পারিনি, নেপথ্যে করোনা ভাইরাসের করাল গ্রাস যা আজ গোটা বিশ্ব কে উত্তাল করে রেখেছে। সারা বিশ্বে অসম্ভব ছোঁয়াচে ও মারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এই ভাইরাসের শিকার ইতিমধ্যেই কুড়ি লাখ ছাড়িয়েছে যা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। বিগত কয়েক মাস যাবৎ বিশ্ব ব্যাপী একই দৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা হল হাহাকার, কাতর আর্তনাদ এবং মৃত্যু মিছিল। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা সওয়া লাখ ছাড়িয়েছে যা যথেষ্টই পীড়াদায়ক। ভারতবর্ষ সহ চিকিৎসা শাস্ত্রে পৃথিবীর অগ্রণী দেশ সমূহের অক্লান্ত পরিশ্রম সত্ত্বেও অদ্যাবধি এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয় নি, যা রীতিমত উদ্বেগের সঞ্চার করে। WHO ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ কে অতিমারী বলে আখ্যা দিয়েছে। এত আঁধারের মধ্যেও গর্বের বিষয় যে দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী  শ্রী নরেন্দ্র মোদী জীর তৎপরতায় ও  সবল নেতৃত্বে এখন অবধি আমাদের দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ অনেকটাই কম যা কিছুটা হলেও আশার আলো দেখায়। আমাদের গর্বের দেশ ভারতবর্ষ এই মুহূর্তে আমেরিকা সহ বিশ্বের তিরিশটিরও অধিক দেশে hydroxychloroquine সহ অন্যান্য ঔষধ সরবরাহ করে চলেছে, যা এই মহামারী কে রোধ করতে অনেকটাই সক্ষম বলে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের আশা। আমি বিশ্বাস করি যে বিগত অনেক ঘটনার মত এবারেও আমাদের দেশ গোটা বিশ্ব কে পথ দেখাবে, প্রয়োজন শুধু সঠিক দিশায় নিজেদের পরিচালনা করা। কঠোর শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা আর সরকারের নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আমরা অতি সহজেই পরাজিত করতে পারি অভিশপ্ত এই ভাইরাস কে। আর আমরা সেটা করে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা ছাড়াও আবারও একবার  বিশ্বের দরবারে ভারতবর্ষ কে গৌরবান্বিত করব, এ বিশ্বাস আমার অটল এবং সুদৃঢ়।

সুখ দুঃখ আসে, আবার সময়ের সাথে সাথে চলেও যায় কিন্তু পৃথিবী থেমে থাকেনা। খুব দ্রুত আমরা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারব, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। অনতিবিলম্বেই করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে এটা যেমন সত্য, কালের আপন নিয়মেই আমরা সবাই আবার  নিজের নিজের পেশায় ফিরে আসতে পারব এটাও চিরন্তন সত্য। রাজ্যবাসী কে আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই কারণ আমার পাঁচ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি যখন যা চেয়েছি, আপনারা দু হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন, কানায় কানায় ভরিয়ে দিয়েছেন আমায়। আপনাদের আশীর্বাদে আজ আমি পরিপূর্ণ। আমার বলতে কোন দ্বিধা বা জড়তা নেই যে আপনাদের ভালোবাসায়  আমি সত্যিই  ৠদ্ধ।  আমার সভাপতি থাকাকালীন পশ্চিমবঙ্গ থেকে একবারে আঠারো জন সাংসদ জিতিয়ে যে উপহার আপনারা আমাকে দিয়েছেন তা আমার স্মৃতিকুম্ভে আজীবন সযত্নে লালিত হবে।
একনাগাড়ে ৩৪ বছরের বাম অপশাসনে জেরবার বাঙালী যখন পরিবর্তন আশায় বুক বেধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস কে সরকার গড়ার সুযোগ দিয়েছিলেন তখন একটি বারের তরেও বোঝা যায় নি যে আমরা আসলে খাল কেটে কুমির এনে ফেলেছি। খুন ধর্ষণ তোলাবাজি আর সিন্ডিকেট রাজের আদর্শ স্থলে পরিণত হয়ে ওঠা আমাদের এই সোনার বাংলা এখন আর মোটেই বাসযোগ্য নয়। শুধুমাত্র বিজেপি করার অপরাধে আত্মাহুতি দিতে হয়েছে আমার আপনার পরিবারের শতাধিক মানুষ কে। ভাবতে লজ্জা লাগে যে ঠিক কতটা নীচে নামলে মানুষ, করোনার জন্য বরাদ্দ রেশনের চালের বেশিরভাগ টাই আত্মসাত করে বসে থাকে। আজকের পশ্চিমবঙ্গ চোর, গুন্ডা, মাফিয়া আর সন্ত্রাসবাদী দের পীঠস্থান। আর হবে নাই বা কেন, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং একটার পর একটা মিথ্যাচার করে রীতিমত মিথ্যার পাহাড় বানিয়ে বসে আছেন সে রাজ্য যে অরাজকতার শীর্ষে বিরাজ করবে তা বোঝার জন্য কোন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।   ডেঙ্গু কে ডেঙ্গু বলা যাবে না, করোনায় মৃত্যু হলে তা বলা যাবে না, মানুষ মারা যাচ্ছে অথচ সঠিক পরিসংখ্যান সামনে চলে আসার থেকে বাঁচতে টেস্টিং কিট গুলো অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা হচ্ছে। এ কেমন সরকার চলছে যে বাংলা ভাষার শিক্ষক চাইলে গুলি খেয়ে মরতে হয় নীরিহ নাবালক স্কুল ছাত্র কে ? এগুলো কি ধরনের অমানবিকতা? কৃষক আত্মহত্যা করলে তা টিভি তে সম্প্রচার করা যাবে না, এ কোন মগের মুলুক? দলের মাস্তানদের তাণ্ডবে পুলিশ কে লুকোতে হচ্ছে টেবিলের তলায়? এ কোন গণতন্ত্র যেখানে ধর্ষণ মানে ছোট্ট ঘটনা? কাটমানি আর তোলাবাজি দিতে দিতে বাংলার মানুষ আজ সত্যিই বিধ্বস্ত হতাশাগ্রস্ত।  এদের অমার্জণীয় কান্ড কারখানায় তিতিবিরক্ত  মানুষ এই অভিশপ্ত শাসন ব্যবস্থা থেকে মুক্তির আশায় দিন গুণছে। বলাই বাহুল্য যে পরাধীনতার এই নির্মম শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেতে, অন্যায় অবিচারের এই কারাগার থেকে এক বুক নির্মল বাতাস ঘ্রাণের চাহিদায়, বাংলার মানুষ এবার বিজেপি কে সরকারে আনবে বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অন্তত  গত লোকসভা ভোটের ফলাফলের নিরিখে এ কথা হলফ করে বলা যায়। রাজ্য ব্যাপী এক অসন্তোষের আবহ, মানুষ পরিবর্তনের প্রতীক্ষায় চাতকের দৃষ্টি তে আকাশ পানে চেয়ে রয়েছেন। আমি কথা দিচ্ছি যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবেই হবে। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রতিটি কর্মী সমর্থকদের একটাই শপথ যে, বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী। বাংলার মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন অতএব বাংলায় এবার বিজেপির সরকার গঠন অনিবার্য। আমি আবার বলছি যে  আপনাদের কাছ থেকে অনেক পেয়েছি যা আমার স্বপ্নেরও অতীত। এবার ফিরিয়ে দেওয়ার পালা, ফিরিয়ে আমি দেবই, চাই শুধু আপনাদের আশীর্বাদ, আরেকটি বার। আমি আশাবাদী যে এবারেও আপনারা আমাদের আশীর্বাদে আশীর্বাদে ভরিয়ে দেবেন। ভালো থাকবেন সকলে, সুস্থ থাকবেন। সরকারের নির্দেশ পালন করুন, বাড়ীতে থাকুন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন ও করোনার চির বিদায় ত্বরান্বিত করুন।

বন্দে মাতরম, ভারত মাতার জয় হোক।

সাংসদ দিলীপ দা

মেদিনীপুর

সাংসদনিধি

আমরা সবাই সাংসদ

আলোচনা ও বক্তব্য

শিশু প্রেমী দিলীপ দা

সাহসিকতা ও ভীমবিক্রম দিলীপ দা তার পরাক্রমের জন্য পরিচিত হলেও মনের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল। ঠিক নারকোলের মত, যার শরীরের গঠন ইস্পাতবৎ হলেও মনটা আসলেই কুসুমাস্তীর্ণ। শিশুদের দেখলেই শিশুসুলভ হয়ে যাওয়া টা দিলীপ দার মানবিক রূপ টাকেই প্রতিফলিত করে। শিশুদের সাথে ভাব জমানোর জন্য দিলীপ দা কে চকোলেট ঘুষ দিতে প্রায়শই দেখা যায়।

রাজ্য সভাপতি যখন সাধারণ কর্মী

একজন রাজ্য সভাপতি যখন তাঁর স্বাভাবিক সহজাত গুণে নেমে আসতে পারেন সাধারণ বুথ স্তরে, তখন তা হয়ে ওঠে দলীয় সংহতির পক্ষে অত্যন্ত কার্যকরী এক মহৌষধি।
পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত জননেতা দিলীপ দার জনপ্রিয়তার মুল USP হল যে তিনি আজও নিজেকে একজন সাধারণ কর্মী হিসেবেই ভাবতে ভালোবাসেন যার প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই ভোটবাক্সে।

জননেতা দিলীপ দা

আগাগোড়া গম্ভীর, রাশভারী এই ভদ্রলোক তার দাপুটে মেজাজের জন্য পরিচিতি লাভ করলেও, ব্যক্তি দিলীপ ঘোষ আসলেই একজন মাটির মানুষ। সাধারণ মানুষের ভীড়ে হারিয়ে যেতে পারার অস্বাভাবিক ক্ষমতাসম্পন্ন দিলীপ দা প্রকৃতপক্ষে আজও একজন গ্রাম্য, সহজ সরল ও ভীষণ অনাড়ম্বর মানুষ, ঠিক যেন পাশের বাড়ীর সেই চির পরিচিত ছোট্ট ছেলেটি, যে আজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে দেশমাতৃকার সেবায়। মুহূর্তের ব্যবধানে সকলকে আপন করে নেওয়ার এই আশ্চর্য গুণ দিলীপ দা কে করে তুলেছে গ্রাম বাংলার সর্বাধিক জনপ্রিয় নেতা।

ধর্মপ্রাণ দিলীপ দা

আগাগোড়া সনাতন ভারতের আদর্শে দীক্ষিত দিলীপ দা বরাবরই একনিষ্ঠ ঈশ্বর অনুরাগী। ঈশ্বর প্রেমের এই ব্যাপারটা ওনার আশৈশব। বিভিন্ন দেবদেবীর মন্দিরে নিষ্ঠা সহকারে পুজো দিতে তাঁকে প্রায়শই দেখা যায়। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি রীতিমত নিয়ম নিষ্ঠার সাথে পালন করেন প্রতিটি একাদশী। এছাড়াও প্রতি বছর রাম নবমীর মিছিলের পুরোভাগে তাঁর সশরীরে উপস্থিতি, মর্যাদা পুরুষোত্তম যুগপুরুষ শ্রী রামের প্রতি অকৃপণ শ্রদ্ধার এক প্রামাণ্য দলিল। লাঠি খেলায় পারদর্শী দিলীপ দা তার লাঠি ঘোরানোর মধ্যে দিয়ে উপস্থিত জনগণ কে উদ্বুদ্ধ করেন। অত্যন্ত কঠিন সময়ে বা প্রবল বিপদেও দিলীপ দা ভেঙে পড়েন না, এমনই তাঁর কলজের জোর। এ হেন ডাকাবুকো মানুষের এই অসীম সাহসিকতার নেপথ্যে একটাই কারণ, সেটা হল তাঁর ঈশ্বরের প্রতি নিখাদ আস্থা, শ্রদ্ধা, ভক্তি ও প্রেম।

সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড

পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবদ্ধর্মান সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ প্রভাব ফেলতে পারে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও। উদ্বিগ্ন দিলীপ দার চিঠি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ জী কে।
9 ই আগস্ট - ১৫ আগস্ট

করোনা আবহের মধ্যেই উত্তরবঙ্গ সফরে দিলীপ দা।

9 ই আগস্ট:- মালদা
১০ আগস্ট:- হেমতাবাদ
১০ আগস্ট:- উত্তর দিনাজপুর
১১ আগস্ট:- শিলিগুড়ি
১১ আগস্ট:- জলপাইগুড়ি
১২ আগস্ট:- কোচবিহার
১২ আগস্ট:- আলিপুরদুয়ার
১৪ আগস্ট:- জলপাইগুড়ি
১৫ আগস্ট:- শিলিগুড়ি

“ভয়? জীবন থাকতে নয়”। বক্তা, বঙ্গ বিজেপির ডাকাবুকো রাজ্য সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বারংবার প্রাণঘাতী আক্রমণ হোক কিম্বা করোনার মত মারণ রোগ, কোন কিছুতেই দমানো যায় না অপ্রতিম এই ইস্পাত কঠিন দৃঢ়চেতা বিজেপি নেতা কে। আগাগোড়া কর্মচঞ্চল এই মানুষ টি কর্ম নিয়েই বেঁচে থাকতে অভ্যস্ত। ইনি বসতে জানেন না, থামতে জানেন না, জানেন না বিশ্রাম বা কর্ম বিরতির মর্মার্থ। 

লকডাউনের ঠিক পরদিন থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকে সঙ্গী করে পৌঁছে গিয়েছিলেন জেলায় জেলায়। দিনে একটি, দুটি এমন কি তিনটি করেও মিটিং করে ফেলেছেন কাজ পাগল দিলীপ বাবু। করোনার আতঙ্ক তুচ্ছ করে বেড়িয়ে পড়েছেন জেলা সফরেও। স্বমহিমায় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন নদীয়া, কৃষ্ণনগর, মুর্শিদাবাদের মত জেলা গুলিতে। এমনকি পুলিশের বাধা, আপত্তি সত্ত্বেও বারবার ছুটে গিয়েছেন নিজের লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর জেলাতেও। তবু কাজ করার তৃষ্ণা মেটেনি দিলীপ বাবুর। তিনি যে তাঁর লক্ষ্যে অবিচল। এই মুহূর্তে লক্ষ্য তার একটাই, আর তা হল এই বাংলা থেকে তৃণমূল পরিচালিত অপদার্থ সরকার কে সমূলে উৎপাটন করে বাংলার মসনদে বিজেপি কে আসীন করতে হবে। 

অন্ধকার থেকে আলোর দিশায় এই বাংলা কে পৌঁছে দিতে যা যা করণীয় তিনি তাই করবেন, করেছেন এবং আজও তাই করে চলেছেন। “আহার নিদ্রা ভয়, যত বাড়াবে তত হয়”, ক্রমাগত এই আপ্তবাক্য আওরে যাওয়া দিলীপ বাবু এবার জীবনের মায়া উপেক্ষা করে সড়ক পথেই পাড়ি দিলেন উত্তরবঙ্গ সফরে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও শুধুমাত্র জনসংযোগ রক্ষা করতেই তাঁর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে মালদার কর্মসূচী সেরে ফেলে পরদিন সকাল সকাল পৌঁছে গেলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদে  শাসক দলের গুন্ডা বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় নিহত বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের বাড়িতে। উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্যান্য দলীয় কাজকর্ম সেরে দিলীপ বাবু রায়গঞ্জে এসে বৈঠকে বসেন উত্তর দিনাজপুর জেলার জেলা কমিটি ও মন্ডল সভাপতি দের সাথে। রায়গঞ্জ থেকে উনি সোজা চলে আসেন শিলিগুড়ি প্রবাসে। এভাবে একে একে জলপাইগুড়ি, লাটাগুড়ি, জটেশ্বর, আলিপুরদুয়ারের কর্মীদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন। ফালাকাটায় কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলা কমিটি এবং মন্ডল সভাপতি তথা অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে করোনার ক্রমবদ্ধর্মান আক্রমণ এই দুই জেলাতে রীতিমত মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এই বিসম পরিস্থিতিতে সামাজিক দুরত্ব ব্যহত হতে পারে, মনে করে এই দুই জেলার কর্মী বৈঠকের স্থান হিসেবে তিনি ফালাকাটা কে বেছে নেন। বৈঠক করেন তৃণমূল দ্বারা অত্যাচারিত গ্রেটার কোচবিহারের নেতাদের সঙ্গেও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে করোনা ভাইরাসের এই ভয়াবহতার মাঝে শাসক দলের প্রতিটি নেতা যখন আত্মগোপন করে রয়েছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং যখন জনগণের থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমাদের দিলীপ দা 700 কিলোমিটারের অধিক পথ সড়ক পথে পাড়ি দিয়ে, করোনা ভীতি উপেক্ষা করে পৌঁছে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গের জনসাধারণের পাশে। এই মহামারী পরিস্থিতি তে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের দেখা না গেলেও, দিলীপ দা কিন্তু বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে সদর্থক ভৃমিকা নেন। তৃণমূল নেতাদের সাথে দিলীপ দার এই মৌলিক পার্থক্যই দিলীপ দা কে করে তুলেছে বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ জননেতা।


সমগ্র উত্তরবঙ্গ সফরের অন্তিম লগ্নে  15ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিনে শিলিগুড়ি ফিরে এসে জাতীয়  পতাকা উত্তোলন সহ অন্যান্য দলীয় কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেন সকলের প্রিয় জননেতা দিলীপ দা। শিলিগুড়ি থেকে বিমান যোগে দিল্লী রওনা দেওয়ার প্রাক্কালে এক বিশেষ প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বাবু জানান, “লিডার হোনে কে লিয়ে নিডর হোনা পড়তা হ্যায়”। আসলে দিলীপ বাবুর এই ক্লান্তিহীন কর্মকাণ্ডের  প্রেরণা হল, দুর্নীতি পরায়ন তৃণমূল সরকারের করাল  গ্রাস থেকে বাংলা মাতা কে  মুক্তি পাওয়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাতে গোটা দেশের সাথে বাঙালীও প্রকৃত স্বাধীনতার মর্ম উপলব্ধি করতে পারে।

15/06/2020

সালতামামি মোদী সরকার 2

30 শে মে 2019, ভারতের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন। মোদী সরকার 1 এর গগনচুম্বী সাফল্যের সুবাদে   প্রবল জনমত ও 303 টি লোকসভা আসন সহকারে গঠন হল বিজেপি শাসিত মোদী সরকার 2 এর।জনগণের প্রতি কর্তব্য নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতায আবদ্ধ  এই সরকারের কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জী তার দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে লিখলেন এক খোলা চিঠি যেখানে পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণিত হল প্রথম এক বছরের কর্মকাণ্ড। 


বরাবর সম্মুখ সারির নেতৃত্ব প্রদানে বিশ্বাসী বিজেপি রাজ্য সভাপতি মাননীয় শ্রী দিলীপ ঘোষ আবারও দায়িত্ব তুলে নিলেন নিজের কাঁধে। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নব দিগন্তের দিশারী আমাদের সকলের প্রিয় দিলীপ দা নিজেই প্রধানমন্ত্রী জীর দেশবাসীর উদ্দেশ্য লেখা চিঠি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বাসীর বাড়ীতে  বাড়ীতে যাওয়া শুরু করলেন। পথ যতই দুর্গম হোক না কেন পথিকৃত সেই দিলীপ দাই, এক্ষেত্রেও কোন নড়চড় হয়নি। ঠিক যেমন ভরত, তাঁর অগ্রজ ভগবান  শ্রী রামচন্দ্রের বার্তা নিয়ে  রাজ্যবাসীর  কাছে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন,  ঠিক সেই একই রকম ভাবে অত্যন্ত নিষ্ঠা সহকারে দিলীপ দা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জীর চিঠি বাড়ী বাড়ী তে পৌঁছে দেওয়ার কঠিন অঙ্গীকার নিয়ে নেমে পড়েছেন পথে। “প্রধানমন্ত্রী জীর  বার্তা পৌঁছবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ঘরে”, এ যেন দিলীপ দার এক নিঃশব্দ দৃঢ় দৃপ্ত সঙ্কল্প, যে সঙ্কল্প তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্য ব্যাপী সকল নেতা কর্মীর অন্তরে। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি বিলির মাধ্যমে জন সম্পর্ক স্থাপন আজ প্রতিটি বিজেপি কর্মীর কাছে অগ্রাধিকার।

আসুন আমরা সবাই মিলে দিলীপ দা র এই অঙ্গীকার সফল করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। দিলীপ দার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরাও প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জীর বার্তাবাহক হয়ে চিঠি হাতে পৌঁছে যাই জনতার দুয়ারে। 

15/06/2020

স্বমহিমায় দিলীপ দা

দীর্ঘদিনের গৃহবন্দী জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে আবার স্বমহিমায় নিজেকে মেলে ধরলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। আগাগোড়া কর্মচঞ্চল এই মানুষ টি লকডাউনের পরদিন থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পৌঁছে গিয়েছিলেন দলের সকল স্তরের কর্মীবৃন্দের কাছে। কিন্তু এবারে সরাসরি নেমে পড়লেন জেলা সফরে। গত 14ই জুন দিলীপ বাবু সরকারী সমস্ত নিয়ম কানুন মেনেই পৌঁছে যান নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। সেখানে একটি কর্মীসভা সেরে মুর্শিদাবাদের লালবাগে গিয়ে সেরে ফেলেন তার পূর্ব নির্ধারিত দলীয় কর্মসূচী। অংশগ্রহণ করেন আত্মনির্ভর ভারত প্রশিক্ষণ শিবিরের ভার্চুয়াল কার্য্যক্রমে যেখানে দিলীপ দা ছাড়াও মুখ্য বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি অখিল ভারতীয় সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক শ্রী বি এল সন্তোষ জী।
পরদিন অর্থাৎ 15ই জুন দিলীপ বাবু লালবাগে তাঁর অবশিষ্ট কার্য্য সম্পাদন করে সরাসরি চলে আসেন রানাঘাট সংসদীয় ক্ষেত্রে। যোগদান করেন আরও একটি আত্মনির্ভর ভারত সম্পর্কিত ভার্চুয়াল মিটিং এ যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কমিটির সম্মুখ সারির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। রানাঘাট থেকে কলকাতা ফিরে আসেন দিলীপ বাবু। এই বিরামহীন ক্লান্তিহীন কর্মকাণ্ডের প্রেরণার উৎস কি জানতে চাইলে মৃদু হেঁসে দিলীপ বাবু বলেন, “আমরা যে সোনার বাংলা গড়তে মানুষের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, আমাদের যে অনেক দায়, আমাদের এখন বিশ্রামের অবকাশ কোথায়?”

পশ্চিমবঙ্গে আর্থিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে করোনার যে প্রভাব পড়েছে, তার মোকাবিলায় আবশ্যিক পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দোপাধ্যায়'কে চিঠি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ দা
06/04/2020

অনৈতিকতার বিরুদ্ধে বিজেপির লাগাতার আন্দোলন

রাজ্য জুড়ে নৈরাজ্যের বাতাবরণ। লক ডাউনের নামে চলেছে প্রহসন, চুড়ান্ত অব্যবস্থা সেই সঙ্গে চলছে রেশনের বন্টনের নামে মিথ্যাচার। কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে প্রাপ্ত গরীব মানুষের জন্য বরাদ্দ চালের অধিকাংশই চলে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বড় মেজো সেজো নেতাদের বাড়ীতে। মাথা পিছু বরাদ্দ পাঁচ কেজি চালের পরিবর্তে মিলছে পরিবার পিছু পাঁচ কেজি চাল। কোন কোন জায়গায় এখনও রেশন বন্টন শুরুই হয়নি। প্রতিবাদ করলে জুটছে পুলিশের নির্মম অত্যাচার। পুরুষ পুলিশ কর্তৃক মহিলা গ্রামবাসী কে বেধড়ক লাঠিপেটার নান্দনিক ভিডিও আজ সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে গোটা বাংলায় ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের পৌরুষ ক্ষেত্রবিশেষে অতি দানবীয় আকৃতি ধারণ করে, আবার এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ পুলিশকেই লুঙ্গি বাহিনীর কাছে নিরীহ আত্মসমর্পণ করতে দেখা যায় হাওড়া টিকিয়াপাড়া, বসিরহাট, দেগঙ্গা বা মালদার কালিয়াচকের মত মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে। পুলিশের একই অঙ্গে কত রূপ দেখতে হলে আসতে হবে পশ্চিমবঙ্গে যেখানে মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং পুলিশমন্ত্রী। এই মহিলা হিটলারের রাজত্বে আপনি সত্য বলার চেষ্টা করলেই আপনার ঠিকানা হবে পুলিশ লকআপ। সত্য ঘটনা অবলম্বনে কোন ভিডিও পোস্ট করলেই আপনাকে দিদিমণির দলদাসে পরিণত হওয়া পুলিশ বাহিনী দ্বারা বেত্রাঘাত সহযোগে করানো হয় জামাই আদর। এই সমস্ত ন্যক্কারজনক ঘটনাক্রমের প্রতিবাদে গতকাল 5ই মে মঙ্গলবার থেকে বিজেপি জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। কিন্তু যেখানে গণতন্ত্রের গলা টিপে খুন করা হয়, সেই হীরক রানীর রাজ্যে প্রতিবাদীদের কন্ঠরোধ করতে যে পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হবে সেকথা কারোরই অজানা নয়। প্রত্যাশিত ভাবেই, কার্য্যক্ষেত্রে হলও ঠিক তাই। পশ্চিমবঙ্গের মোট 1035 টি জায়গায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সংগঠিত হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্য্যন্ত মোট গ্রেপ্তার হয়েছেন 319 জন বিজেপি কর্মী। তবুও বিজেপিকে আটকে রাখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের জন সাধারণের স্বার্থে বিজেপির এই প্রতিবাদ কর্মসূচী চলছে চলবে।

06/04/2020

কল্পতরু দিলীপ দা

করোনার মত বৈশ্বিক মহামারী নিয়েও রীতিমত উদাসীন রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা কীট বা PPE র পরিবর্তে তুলে দেওয়া হচ্ছে রেইন কোট। সরকারের খামখেয়ালিপনার শিকার হয়ে বহু বহু স্বাস্থ্যকর্মী ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে। নৈরাজ্যের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞাপন হয়ে উঠেছে আমাদের এই সাধের বাংলা। অতএব অগত্যার গতি নেই, মাঠে নেমে পড়লেন বিরোধী দলপতি দিলীপ ঘোষ স্বয়ং। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত খরচায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালের কর্মকর্তাদের হাতে দিলেন PPE (Personal protective equipment) কীট। দিলীপ দার কাছ থেকে সুরক্ষা কীট হাতে পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী রা।

05/04/2020

সামূহিক শক্তি

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজ গোটা দেশ প্রদীপ, মোমবাতির আলোকে আলোকিত। 130 কোটি মানুষের সামূহিক শক্তি প্রদর্শনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করবে করোনা নামক এই রাক্ষুসে ভাইরাস, এ বিশ্বাস আমাদের অটল।
ভারতবর্ষ পথ দেখাবে বহির্বিশ্ব কে, কারণ আমরাই পারি এই অভিশপ্ত ভাইরাসকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। আসুন সকলে মিলে একসাথে লড়াই করি। গৌরবান্বিত করি মা ভারতীর মুখ।

 

22/03/2020

সাফল্যের জনতা কার্ফিউ

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজ গোটা দেশ প্রদীপ, মোমবাতির আলোকে আলোকিত। 130 কোটি মানুষের সামূহিক শক্তি প্রদর্শনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করবে করোনা নামক এই রাক্ষুসে ভাইরাস, এ বিশ্বাস আমাদের অটল।
ভারতবর্ষ পথ দেখাবে বহির্বিশ্ব কে, কারণ আমরাই পারি এই অভিশপ্ত ভাইরাসকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। আসুন সকলে মিলে একসাথে লড়াই করি। গৌরবান্বিত করি মা ভারতীর মুখ।

 

 

অসহায়ের সহায়

অসহায় বাংলা, অরাজকতায় বাংলা, আলোর থেকে আঁধারের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলা। চোঁখ মেললেই শূন্যতা, কান পাতলেই হাহাকার, এক বুক ফাটা আর্তনাদ। রেশনে চাল নেই, মানুষ অভুক্ত। অভুক্ত অনাহারে থাকা গরীব মানুষের জন্য বরাদ্দ চালের বেশিরভাগ টাই আত্মসাত করেছে দিদিমণির স্নেহধন্য ভাই ভাইপোরা। রাজ্য জুড়ে চলছে বিক্ষোভ, বঞ্চনার অভিযোগ আজ বাংলার আকাশে বাতাসে আবর্তিত হচ্ছে। বিনিময়ে জুটছে পুলিশের নির্মম অত্যাচার। মুখ্যমন্ত্রী নিজের কাজ শিকেয় তুলে সপারিষদ নামছেন রাস্তায় দাগ কাটতে, সঙ্গে ক্যামেরা বাহিনী । অগত্যা দিলীপ দার নেতৃত্বে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হচ্ছে বিজেপি কর্মকর্তা দের। দিকে দিকে চলছে ত্রান বন্টনের কর্মসূচী। মন্ডলে মন্ডলে বিতরণ করা হচ্ছে চাল ডাল সহ অন্যান্য খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
করোনা সংক্রান্ত যে কোন ধরনের সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের হেল্প লাইন 6289653131 নম্বরে।

ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী

ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

শ্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী

শ্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা

মাননীয় সভাপতি

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রী অমিত শাহ

নৈরাজ্যের পশ্চিমবঙ্গ

সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ ব্যাপী আজ যে অরাজক অবস্থা চলছে তা তুলে ধরতেই আমাদের এই উদ্যোগ নৈরাজ্যের পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খামখেয়ালি আচরণ আর প্রশ্রয়ে পশ্চিমবঙ্গের আনাচেকানাচে আজ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ, খুন ধর্ষণের মতো ঘটনা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্রের কন্ঠরোধ করা হিংসাশ্রয়ী পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের রাজনীতি করলে তাকে পড়তে হয় শাসকের রোষানলে, চলে যেতে পারে প্রাণ যে কোন মুহূর্তে। এ হেন পশ্চিমবঙ্গের হাল হকিকত জানতে চোঁখ রাখুন নৈরাজ্যের পশ্চিমবঙ্গ পাতায়।

uluberia 6
সদস্য
লোকসভা সংসদ
রাজ্যসভা সাংসদ
বিজেপি শাসিত রাজ্য