বঙ্গ বিজয়ের কান্ডারী দিলীপ দা

অনবদ্য দিলীপ ঘোষ, আমার শ্রদ্ধার ভালবাসার দিলীপ দা নিজেই নিজের উপমা। দিলীপ ঘোষের বল্গাহীন মন্তব্য ও ঢাছাছোলা আগুনে বিধ্বংসী কথাবার্তা  কিছু তথাকথিত স্বঘোষিত পন্ডিতমন্য ব্যক্তিবর্গের  পছন্দসই না হলেও আমার কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। শুধু আমারই বা বলি কেন, শুধুমাত্র মারকাটারি সাহসী বক্তব্যের জন্য দিলীপ দা আজ বাংলার সর্বকালীন জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম। সাহসিকতা এবং সরলতাই ওনার একমাত্র গগনচুম্বী সাফল্যের একমাত্র  ইউ.এস.পি। সক্রিয় রাজনীতিতে পদার্পণ অতি অল্প সময় তাই ওনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে মতান্তর রয়েছে। কিন্তু মতান্তর থাকলেও একথা অনস্বীকার্য যে, আজকের বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করার সিংহভাগ কৃতিত্ব কিন্তু দিলীপ বাবুর একার। আজজের দিনে উনি শাসক দলের যথেষ্ট মাথা ব্যাথার কারন, যেটা ওনার সাফল্যকেই প্রতিফলিত করে। তাছাড়া সবার যে সব গুণ থাকতে হবে এমনও কোন মাথার দিব্যি নেই । দিনের শেষে দল কলেবরে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটা চরম বাস্তব। এ হেন দিলীপ দার নিজস্ব ওয়েবসাইট খোলা তার রাজনৈতিক উর্বর মস্তিষ্কের ফসল যা তাকে এনে দিয়েছে আমাদের মত সাধারন মানুষের আরও কাছাকাছি। দাদাকে অকুণ্ঠ  ধন্যবাদ।
আজকের এই ক্রমবর্দ্ধমান সংগঠনের মেরুদণ্ড কিন্তু সংশয়াতীত ভাবে দিলীপ দা। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে ইতিমধ্যেই চানক্যের স্বীকৃতি দিয়েছে। গোটা বাঙলা টা তার হাতের তালুর মত চেনা। রাজ্য ব্যাপী অগ্রণী সমস্ত কার্য্যকর্তার নাম ও গুণগত উৎকর্ষতা তার নখদর্পণে। মাঠে ঘাটে যে লড়াইটা দিচ্ছে বিজেপি , সেই সংগঠনকে নিজের হাতে গড়ে তিলে তিলে গড়ে দাঁড় করাচ্ছেন আমার আপনার সকলের প্রিয় নেতা দিলীপ ঘোষ। অন্তত গ্রাউন্ড রিপোর্ট সেটাই বলছে। আমার মতে, দাদার বিজেপি দলে অন্তর্ভূক্তি, রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ, রাজ্য বিজেপির ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। আমার বিশ্বাস আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমরা সাফল্যের বৈতরনি অনায়াসে পার করতে পারি শুধুমাত্র দাদার বুদ্ধিমত্তা ও সাহসী নেতৃত্বের ওপর ভর করে। দেওয়ালের লিখন অন্তত সেই বার্তাই বহন করছে।
শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। সমর্থকদের বলি, একটু ধৈর্য ধরুন। রোম নগরী কিন্তু একদিন এ গড়ে ওঠে নি।
Sender: Joya Bhaduri Mukherjee (Siliguri)