সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা তৃণমূল সরকার আজ মানব সভ্যতার শত্রু।

তৃণমূল আর সভ্যতা দুটি সম্পূর্ণ পরস্পর বিরোধী শব্দে পরিণত করেছে মমতা ব্যানার্জি ও তার দল একথা বলার অপেক্ষা রাখে না , সেটা আরো একবার প্রমাণ করলো গনতন্ত্রের মন্দিরে দাঁড়িয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন , সমস্ত নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে ডেরেক বাবু আজ ওয়েলে নেমে রাজ্যসভার ডেপুটি স্পিকারকে তেড়ে গেলেন ও রুলবুক ছিঁড়ে দিলেন, যদিও একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে উনি এই শিক্ষা ওনার গুরু মমতা ব্যানার্জির থেকে শিখেছেন ।কারন এইভাবে মমতা সংসদে আচরণ করতেন, এমনকি ২০০৭ সালের সেই মমতার আচরণ এখনো সকলের মনে আছে ।যে কৃষকদের ভুল বোঝানোর জন্য তৃণমূল এই বিল নিয়ে হইচই করছে আসলে সেটা কি সত্যিই কৃষকদের ক্ষতি করবে? আর কৃষাণ সন্মান নিধির ৬০০০ টাকা পাওয়া থেকে এ রাজ্যের কৃষকদের বঞ্চিত করার কথা এ রাজ্যের কৃষকরা কি ভুলতে পারবে? তাছাড়া এটা তো আজ জলের মতো পরিষ্কার যে এখানে কৃষকরা আলু থেকে শুরু করে উত্তর বঙ্গের আনারস প্রর্য্যন্ত ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, সেক্ষেত্রে যদি মুক্ত বাজার থাকে তাহলে তো ওরাই অধিক দামে সরাসরি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন যা তাদের অতিরিক্ত দাম পেতে সাহায্য করবে ।তাহলে কি ধরে নেবো এ রাজ্যের ফোঁড়েদের উপার্জন কমে যাবে তাই ফোঁড়েদের দালাল তৃণমূল এইভাবে ফোঁড়েদের স্বার্থ রক্ষা করতে এই আচরণ করছে? যাইহোক তৃণমূলের বিরোধীতায় কিছু আসে যায় না, রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে এই বিল পাশ হয়ে গেছে ।আর গতকাল মুর্শিদাবাদে আলকায়দার জঙ্গি ধরেছে NIA ।এবং এ রাজ্যের সরকার যে এই ধরনের জঙ্গিদের মদত দেয় তা ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যাবে ।তাই সমগ্র বাংলাবাসি আজ বদ্ধপরিকর এই মানবজাতি ও দেশবিরোধী শক্তি তৃণমূলকে জবাব দিতে ,সদলবলে বলছে এবার এই তৃণমূল আর না, আর না আর না।
জয় হিন্দ ।